Taariif's Profile
Good
351
Points

Questions
21

Answers
14

  • Good Asked 2 days ago in Mobile.

    If you live outside France, all you get is a USB-C to Lightning cable (and one sticker and the obligatory SIM removal tool).

    If you live in France you also get a pair of EarPods, because our laws force phone vendors to bundle a hands free kit to protect you from microwaves. What’s hilarious is that the actual iPhone box is packed in a bigger white box with just the EarPods, making us the destroyers of Apple’s environmental efforts.

    • 15 views
    • 1 answers
    • 0 votes
  • Good Asked 5 days ago in Mobile.

    সবাই অনেক কিছু বলেছে , আমি এত কিছু হয়তো বলতে পারবো না। কিন্তু আপনাকে কিছু উপায় বলে দিতে পারবো ।

    চলেন দেখে আসি একটা নাম্বার ট্রাক করার উপায় গুলো কি কি হতে পারে ।

    1. এক ইমো এইটার মাধ্যমে আপনি একটা নাম্বার ট্রাক করতে পারেন । যেমন আপনি তার নাম জানতে পারেন । সে কে এইটা খুজে বের করতে পারেন । তার জন্য শুধু তার নাম্বার টা আপনার কনটাক্ট লিস্টে এড করতে হবে ।

    2। দুই নাম্বারে আছে হোয়াটস আপ , আপনি এর মাধ্যমে ও তার নাম ঠিকানা জানতে পারেন্। আগের প্রোসেসিং এর মাধ্যমে ।

    3. সবচেয়ে কার্যকরি উপায় হচ্চে ফেসবুক । আপনি এর মাধ্যমে হাুড়ির খোবর ও বের করতে পারবেন।

    এই জন্য আপনাকে যা করতে হবে, তা হলো , আপনি তার নাম্বার টা আপনার র্সাচ অপশনে নিয়ে র্সাচ দিবেন । আজ কাল অনেক ফেসবুকে কিছু না কিছু কিনার জ্ন্য নিজের নাম্বার কমেন্ট বক্সে দিয়ে থাকে । সেই ক্ষেত্রে আপনি তার নাম্বার পেয়ে যাবেণ্ ।

    4. কাস্টমার কেয়ার এইটা একটু রিস্কি কিন্তু কাজ হয় অনেকে করেছে ।

    যেমন আপনি কাস্টমার কয়ার এর সাথে কথা বলে , নাম্বার ট্রাক সহ আরো অনক কিছূ করতে পারবেন ।

    বিনিময় নিবে তারা কিছু , এর জন্য আপনাকে কথা বলতে হবে দক্ষভাবে ।

    • 18 views
    • 1 answers
    • 0 votes
  • Good Asked on January 9, 2021 in Business.

    অনেক ব্রান্ডের নামের পাশে ছোট করে TM লিখা থাকে। এই TM লিখাটা নিয়ে আমিও ছোটবেলা থেকেই চিন্তা করতাম কিন্তু কখনও জানতে পারি নাই। কারণ তখন কাওকে জিজ্ঞেসই করা হয়নি। গত বছর এক বড় ভাইয়ের কাছে জানতে পারলাম এই TM মানে কী।TM ছাড়াও অনেক ব্রান্ডের নামের পাশে ছোট করে ® লিখা থাকে।

    TM লেখাটির পূর্ণরূপ হলো Trademark(ট্রেডমার্ক)। কোনো ব্রান্ডের নামের পাশে ছোট করে TM লিখা থাকলে বুঝতে হবে নামটি তাদের ব্রান্ডের প্রতীক। আবার ® লেখাটির মানে হলো Registered Trademark (রেজিস্টারড ট্রেডমার্ক)। কোনো ব্রান্ডের নামের পাশে ছোট করে ® লিখা থাকলে বুঝতে হবে তাদের ব্রান্ডের প্রতীকটি রেজিষ্ট্রেশনভুক্ত। ফলে অন্য কোনো ব্রান্ড এই প্রতীকটি ব্যবহার করতে পারবেনা। অন্য কোনো ব্রান্ড প্রতীকটি ব্যবহার করলে সেই ব্রান্ডের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

    আশা করি এবার জানতে পেরেছেন কোনো ব্রান্ডের নামের পাশে ছোট করে TM কেন লিখা হয়।

    আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

    • 49 views
    • 1 answers
    • 0 votes
  • Good Asked on January 3, 2021 in Solution.

    There is no comparison tests for performance across all the editions of Windows 7. But I’ve a perception that Windows 7 Home Basic is the best for most users, it does away with the bloat that most don’t need, it’s the fastest. The reason is simple — Home Basic is the most trimmed down edition among all (discarding Windows 7 Starter that’s of no use in modern times). If you run all the editions of Windows 7 on identical configurations such as identical RAM, Drive, CPU, Programs and Configurations, Windows Home Basic may take the lead (just my wild guess) because it has disabled most of the features that you find in other edition. Here’s a feature comparison (click on the chart below to see the full preview with proper resolution):

    Now it’s your bet to figure out. Choose one over others as per the need.

    • 38 views
    • 1 answers
    • 0 votes
  • Good Asked on January 3, 2021 in Science.

    মশাগুলো হঠাৎ উধাও হয়ে গেলে কী হবে? মানবতা কি আরও উন্নত হতে পারবে?

    এটি অস্বাভাবিক মনে হতে পারে যে একটি সামান্য পতঙ্গ এতটা মারাত্মক হতে পারে তবে এটি সত্য। মশা ম্যালেরিয়া, হলুদ জ্বর এবং ডেঙ্গু ভাইরাসের মতো রোগ ছড়ায়।

    তারা কোনও বিশেষ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে কামড়ানোর পরে আপনাকে কামড় দিয়ে এবং আপনার শরীরে লালা প্রবেশ করিয়ে দিয়ে তা করে। এরপর তাদের লালা আপনার রক্ত ​​প্রবাহে প্রবেশ করে, মশা যে কোনও ভাইরাস বা ব্যাকটিরিয়াকে আপনার শরীরে প্রবেশ করতে বাধ্য করবে।

    এটি কেবল মানুষের জন্যই খারাপ নয়। বিশ্বজুড়ে পশুপাখি এবং খামার প্রাণিসম্পদ মশার সমস্যায় ভোগে। একটি মাত্র কামড় মারাত্মক হতে পারে।

    সুতরাং, কীভাবে আমরা এই পতঙ্গগুলি থেকে মুক্তি পাব?

    ঠিক আছে, প্রথমে আমাদের বিশ্বে ঠিক কতটি মশা রয়েছে তা বের করতে হবে। এটি গণনা করা অবিশ্বাস্যরকম কঠিন। অনুমান করা হয় যে এগুলির মধ্যে ৭ ট্রিলিয়ন রয়েছে কেবলমাত্র আলাস্কাতে।

    হ্যাঁ, ঠিক আছে, আলাস্কা। গ্লোবাল ওয়ার্মিং, এবং সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে মশা এই জায়গাগুলিতে বাস করতে পারে। এবং বিশ্বজুড়ে, আরও কয়েক ট্রিলিয়ন মশা রয়েছে।

    আমদের কাছে এগুলি থেকে মুক্তি পাওয়ার অনেকগুলি উপায় রয়েছে। বাদুড়রা কোনও ঝুঁকি ছাড়াই মশা খায়। তারা এক ঘন্টায় ৬০০ টি মশা খেতে পারে, তাই তাত্ত্বিকভাবে যদি আমাদের পর্যাপ্ত বাদুড় থাকে তবে তারা কার্যকরভাবে সারা বিশ্ব জুড়ে মশাদের মুছে দিতে পারে। কিন্তু তা-ই যদি হয় তাহলে কীভাবে আমরা আকাশে কোটি কোটি বাদুড় থেকে মুক্তি পাব? ঠিক আছে, সম্ভবত এটি সেরা উপায় হবে না।

    আমাদের আরও একটি জিনিস বুঝতে হবে সেটি হ’ল মশারা কীভাবে প্রজনন করে। আপনি ভাবতে পারেন যে তারা আমাদের রক্ত ​​চুষছে কারণ আমরা তাদের কাছে সুস্বাদু এবং তারা ক্ষুধার্ত। কিন্তু তারা নিজেদের খাওয়ানোর পরিবর্তে তাদের লার্ভাগুলির জন্য এটি করছে।

    আমাদের জিনগতভাবে সংশোধিত পুরুষ মশার ছাড়তে হবে, যেগুলি কামড়ায় না এবং কেবলমাত্র জীবাণুমুক্ত বংশবিস্তার করতে পারে। এই প্রকৃয়াটি কয়েক দশক সময় নিতে পারে, তবে আমাদের জিনগতভাবে সংশোধিত মশার জীবাণুমুক্ত বংশধর উৎপাদনের ফলে মশা শেষ পর্যন্ত নির্মূল হবে।

    সুতরাং এখন তারা চলে গেছে, তারপরে কী হবে? ঠিক আছে, প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ অসুস্থ হয়ে মারা যাবেন না। কামড়ানোর কোনও আশঙ্কা ছাড়াই আপনি গ্রীষ্মে বাইরে ঘুরে বেড়ানো উপভোগ করতে পারবেন এবং পশুপাখিও অনেক বেশি নিরাপদ হবে।

    এটা ঠিক যে আমরা সমস্ত মশা থেকে পরিত্রাণ পেলে খুব খারাপ কিছু ঘটবে না। কিন্তু জীবনচক্রের কি হবে?

    মশা কি খাদ্য শৃঙ্খলে কোন অবদান রাখে না? অবশ্যই, কিছু পাখি, বাদুড় এবং ব্যাঙগুলি প্রচুর পরিমাণে মশা খায় তবে মশাখেকো প্রাণীগুলো এখনও অন্য প্রাণীর খাবার হিসেবে উল্লেখযোগ্য অংশ নয় আবার এই প্রাণীগুলি মশা ছাড়াই বেঁচে থাকতে পারবে।

    যদিও মশা গাছগুলিকে পরাগায়িত করে, কিন্তু গাছের প্রজাতিগুলিকে বাঁচিয়ে রাখার পক্ষে তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ নয়।

    কিন্তু তবুও, মশার হাত থেকে মুক্তি পাওয়াটা কী সঠিক কাজ হবে? সর্বোপরি, আমরা একটি সম্পূর্ণ প্রজাতি থেকে মুক্তি পাব।

    আমাদের মনে রাখা উচিত যে হাজার হাজার বিভিন্ন প্রজাতির মশা রয়েছে কিন্তু তাদের মধ্যে মাত্র ৬% আমাদের কামড় দেয় এবং রোগ ছড়ায়। কেবল তা-ই নয়, এমন কিছু তত্ত্ব মতে মশা আমাজন রেইন ফরেস্টকে রক্ষা করতে সহায়তা করতে পারে।

    এর কারণ তারা রেইনফরেস্ট কেটে ফেলার চেষ্টা করে এমন লোকদের জন্য এতটাই মারাত্মক এবং বিরক্তিকর যে মাঝে মাঝে পতঙ্গগুলি এটি করতে বাধা দেয়। তবে জনসংখ্যা অবিশ্বাস্যভাবে দ্রুত বাড়ছে।

    হতে পারে মশারা আমাদের জনসংখ্যাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করছে। এটি অবশ্যই একটি ভাল জিনিস হবে।

    • 62 views
    • 1 answers
    • 0 votes
  • Good Asked on October 28, 2020 in Travel.

    সবার অবস্থা যে এক হবে এমন না। ওয়েদার খারাপ হলে বাবু অসুস্থ হয়ে যেতে পারে। আমিও সবার সাহস পেয়ে গেছিলাম ৯ মাসের বাচ্চা নিয়ে কক্সবাজার। তাও ফেনী থেকে। কিন্তু সমুদ্রের বাতাসে ওর অনেক ঠান্ডা লেগে যায়, কফ জমে জ্বর এসে খারাপ অবস্থা। কোন লাভ হয় নাই যেয়ে।

    • 81 views
    • 1 answers
    • 0 votes
  • Good Asked on October 25, 2020 in Internet.

    বিশ্বের সবচেয়ে বড় হ্যাকার হচ্ছে কেভিন ডেভিড মিটনিক। যিনি যুক্তরাষ্ট্রের একজন সাজা প্রাপ্ত হ্যাকার। এবং সেই সময়কার পুলিশদের নিকট মোস্ট ওয়ান্টেড হ্যাকার। তাকে ফাদার অফ হ্যাকার বলা হয়।

    চিত্রঃ কম্পিউটারে ব্যস্ত কেভিন মিটনিক

    মাত্র ১২ বছর বয়সে তিনি হ্যাকিং নিয়ে কাজ শুরু করে। তিনি প্রাথমিক জীবনে ‘সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং’ ব্যবহার করে লস এঞ্জেলসের বাসে পাঞ্চ কার্ড হ্যাকিং করেন, যাতে অনায়েসে ফ্রী রাইড করা যেত। এর ফলে তাদের ১৬০০০০ ডলার ক্ষতি হয়েছিলো [সূত্র-১]

    ১৯৭৯ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে তার বন্ধুর মাধ্যমে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের নেটওয়ার্ক আরপানেটের অ্যাকসেস পেয়ে যায়। সেটা হ্যাক করে তাদের স্পর্শকাতর ফাইল দেখেন কেভিন মিটনিক।

    এরপর তিনি মটোরোলা, নকিয়া, ফুজিৎসুর মতো বড় প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার হ্যাক করেছিলেন [সূত্র-২]। তার হ্যাকিং বিদ্যার জন্য তাকে গ্লেন কেজ উপাধি দেওয়া হয়।

    মিটনিক, ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ক্যালোলিনার ছাত্র ছিলেন। এফবিআই ১৯৯৫ সালে উপরোক্ত অপরাধ সমূহের জন্য তাকে গ্রেপ্তার করেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে বহু ওয়েবসাইট হ্যাক করার অভিযোগ উঠেছিলো।

    ১৯৮৮ সালে ডিইসি নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট হ্যাক করায় তিনি ১ বছর জেল খাটেন। এরপরে আর একটি হ্যাকিং এর ঘটনাতে তার এরেস্ট ওয়ারেন্টি ইস্যু হলে সে ২.৫ বছর পালাতক থাকেন। এরপরে ১৯৯৫ সালে তাকে মটোরোলা, নকিয়া ও পাঞ্চ কার্ড হ্যাকিং এর জন্য গ্রেপ্তার করে ৫ বছরের জন্য জেলে পাঠানো হয়।

    ২০০০ সালে কেভিন এই বলে মুক্তি পান যে, তিনি ২০০৩ সালের আগে তিনি কোনো কম্পিউটার, সেল ফোন এবং ইন্টারনেট ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না।

    বর্তমানে তিনি নিজের মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি মিটনিক সিকিউরিটি কনসালটিং -এ সিক্যুরিটি কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করছেন।

    • 72 views
    • 1 answers
    • 0 votes
  • Good Asked on October 14, 2020 in Outsourcing.

    অনলাইন সার্ভে কি?

    বিভিন্ন কোম্পানী তাদের পন্যের সম্পর্কে সাধারন মানুষের মত জানতে চায়।
    এজন্য তাদেরকে জড়িপ করতে হয়। তাদের পন্যের অবস্থান, প্রতিদ্বন্দি অন্য কোন পন্য কেমন ব্যবসা করছে, সেগুলি কেন জনপ্রিয়তা পাচ্ছে, মানুষ কি দেখে পন্য পছন্দ করে, কিভাবে পন্যের কথা জানে ইত্যাদি তথ্য সংগ্রহ করে তার ভিত্তিতে নিজেদের পরিকল্পনা ঠিক করে।
    একাজ অনলাইনে করা তুলনামুলক সহজ। পিটিসি সাইটের মত সার্ভে কাজে সহযোগিতা করার জন্যও রয়েছে বহু প্রতিষ্ঠান। তাদের সাথে চুক্তি করলে তারা প্রশ্ন তৈরী করে সেগুলি অনলাইনে ব্যবহার করে।

    আপনার প্রথম কাজ তাদের সদস্য হওয়া। এরপর তাদের সাইটে বিভিন্ন জড়িপের তালিকা পাবেন।
    ক্লিক করে ওপেন করবেন। সেখানে পাবেন নানা ধরেনের প্রশ্নের একটি ফরম।
    আপনার কাজ সেটা পুরন করা। বিভিন্ন ধরনের সার্ভের জন্য প্রশ্ন কম-বেশি, সহজ বা জটিল হতে পারে। তার সাথে মিল রেখে অর্থের পরিমান কম বেশি হয়। একেবারে সাধারন জড়িপের জন্য কয়েক সেন্ট থেকে কিছুটা বড় ফরমের জন্য কয়েক ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন।

    এই লেখাটিও এক নজরে পড়ে নিতে পারেন।
    অনলাইন সার্ভে সাইট:
    ১. SwagBucks

    পেমেন্ট পদ্ধতি: PayPal Cash, Amazon Gift Cards, Walmart Gift Cards, All Gift Cards

    প্রত্যেক সার্ভেতে আয়: ৩০ -১৫০ SB (১০০ SB = ১ ডলার)

    ২. Toluna

    পেমেন্ট পদ্ধতি: PayPal, Amazon Gifts Card

    প্রত্যেক সার্ভেতে আয়: ১২০০ – ৫০,০০০ পয়েন্ট (৮০,০০০ পয়েন্ট এ ১৫ ইউরো)

    ৩. OnePoll

    পেমেন্ট পদ্ধতি: PayPal, Cash

    প্রত্যেক সার্ভেতে আয়: প্রায় ১ ইউরো
    ৪. Branded Surveys

    পেমেন্ট পদ্ধতি: Money or gift cards.

    প্রত্যেক সার্ভেতে আয়: অনির্দিষ্ট

    • 97 views
    • 1 answers
    • 0 votes
  • Good Asked on August 17, 2020 in Accessories.

    আপনি খুব চমৎকার ও যুগপোযোগী প্রশ্ন করেছেন

    তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন একটি সিলিন্ডারের মেয়াদ থাকে ১০ বছর। সিলিন্ডারের গায়ে খোদাই করে উৎপাদনের তারিখ লেখা থাকে। এরপর ১০ বছর সেটি নিরাপদ। এরপর এসব সিলিন্ডার পরীক্ষা করার নিয়ম। পরীক্ষায় যেসব সিলিন্ডার নিরাপদ বলে গণ্য হয়, সেগুলো আবার ১০ বছরের জন্য বাজারে ছাড়া যায়। ফলে একটি সিলিন্ডারের মেয়াদ আছে কি না, তা দেখা যাবে সিলিন্ডারের গায়েই। রান্নার জন্য ঘরে আনার আগে মেয়াদ দেখে নেওয়া ভালো।

    কিভাবে জানা যাবে সিলিন্ডার মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখ:

    ছবিতে মার্ক করা কালো রংগের লেখা দেখা যাচ্ছে। এটাই হল এক্সপায়ারি ডেট বা মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখ। এখানে A,B,C,D সংকেত দিয়ে লেখা থাকে।

    A= বছরের প্রথম তিন মাস জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ।

    B= তার পরের তিন মাস এপ্রিল, মে, জুন।

    C= তার পরের তিন মাস জুলাই, আগষ্ট, সেপ্টেম্বর।

    D= বছরের শেষ তিন মাস অক্টোবর, নভেম্বর, ডিসেম্বর।

    আর সবার শেষে বছরের শেষ দুই ডিজিট থাকে, অর্থাৎ C13 (2013 সাল)। যদি D18 থাকে তারমানে হল 2018 সালের অক্টোবর, নভেম্বর, ডিসেম্বর মাসেই আপনার সিলিন্ডারের মেয়াদ শেষ।

    • 33 views
    • 1 answers
    • 0 votes
  • Good Asked on July 26, 2020 in Accounting.

    আসলে একটি দেশ কি পরিমান মুদ্রা ছাপাতে পারবে তা নির্ধারণ করে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকে অবস্থিত মোট সম্পদের পরিমানের উপর. একটি দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে যে পরিমান সোনা রুপা ও অন্নান্য সম্পদ এর রিজার্ভ রয়েছে, সে পরিমান মুদ্রা ওই দেশটিতে থাকবে । কারণ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উক্ত রিজার্ভ সম্পদের উপর ভিত্তি করে দেশের আর্থিক অবস্থা পরিচালিত হয়। দেশের অভ্যন্তরে মুদ্রার বিনিময় সংঘঠিত হয়. তাছাড়া কোনো দেশের অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান এবং দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখতেও মুদ্রার বিনিময় গুরুত্তপূর্ণ।

    বর্তমানে উন্নত দেশগুলোতে কারেন্সির পরিবর্তে ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রচলন বেড়েছে। এতে করে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা আরো উন্নত হচ্ছে। যেমন বিটকয়েন একটি আন্তর্জাতিক ক্রিপ্টোকারেন্সি। তবে বর্তমান বিশ্বের অর্থনৈতিক যে স্থবিরতা চলছে এর কারণে বিটকয়েন এর দাম দিন দিন পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই কেউ যদি মনে করে যে সঠিক মূল্যে বিটকয়েনটি পরিবর্তিত করে মুদ্রায় রূপান্তরিত করবে, তবে সেক্ষেত্রে তাকে একটি ভাল ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিময় সংস্থার কাছে যেতে হবে সঠিক মূল পাবার জন্য। কিন্তু সব কোম্পানি বা অনলাইন সাইট সমান মূল আপনাকে সরবরাহ করবে না। তবে কিছু প্রতিষ্ঠান এবং অনলাইন সাইট রয়েছে যারা আপনাকে সঠিক মূল সরবরাহ করতে পারে। যেমন Exchange KIWI For Bitcoin একটি এমন সাইট যারা সর্বদা সঠিক এক্সচেঞ্জ মূল্য আপনাকে সরবরাহ করবে।

    তাছাড়া , একটি দেশ যদি তাদের রিজার্ভের অতিরিক্ত মুদ্রা ছাপায় তবে এতে করে তাদের অর্থনৈতিক হিসাবের গোলযোগ দেখা দিতে পারে। যা কোন দেশের জন্যই মঙ্গলকর নয়।

    ধন্যবাদ।

    • 83 views
    • 1 answers
    • 0 votes